মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান ও লাঞ্ছিত সংবাদ সম্মেলনে আত্মহত্যার ঘোষণা মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান ও লাঞ্ছিত সংবাদ সম্মেলনে আত্মহত্যার ঘোষণা – দখিন দর্পণ
Image
Sorry, no posts Have .......

মঙ্গলবার  •  ১১ কার্তিক ১৪২৮ • ২৬ অক্টোবর ২০২১

মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান ও লাঞ্ছিত সংবাদ সম্মেলনে আত্মহত্যার ঘোষণা

প্রকাশিতঃ ২৩ নভেম্বর ২০২০, সোমবার, ১১:১২ অপরাহ্ন । পঠিত হয়েছে ১৩৭ বার।

মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান ও লাঞ্ছিত সংবাদ সম্মেলনে আত্মহত্যার ঘোষণা

আশাশুনিতে পুলিশের বিরুদ্ধে দুই মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আত্মহত্যার ঘোষণাও দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা দীনেশ চন্দ্র সরকার।

সোমবার দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসিক্ত কন্ঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের মৃত মানিক চন্দ্র মন্ডলের পুত্র মুক্তিযোদ্ধা দীনেশ চন্দ্র মন্ডল লিখিত ও মৌখিকভাবে জানান, রোববার সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় আমি আমার ডায়াং চায়না মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি থেকে আশাশুনিতে আসার সময় আশাশুনি বাইপাস হাইওয়ে ৩ রাস্তার পাশের্^ (দক্ষিণে) এসআই জুয়েল আমাকে গাড়ী থামাতে বলে। তার নির্দেশমত গাড়ী থামাই। পরে এক কনস্টেবল সোহাগ আমাকে বলে এই গাড়ী রাস্তার পাশের্^ আন। আমি বলি কাকা কি হয়েছে বলেন ? তিনি বলেন, রাস্তার উপরে কথা বলবো না। গাড়ী রাস্তার পাশে আন। এরপর তিনি রুক্ষ মেজাজে বলেন-এই … (অশ্রাব্য শব্দ) লাইট লাগাইছ কেন ? তখন আমি বলি কাকা আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাছাড়া আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। আমার ছেলে পুলিশে চাকরি করে। ভদ্রভাবে কথা বলেন! তখন সে বলে ওই…(অশ্রাব্য) পরিচয় বাদ দে! বুকের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার মনোগ্রাম দেখে বলেন ওইসব (প্রকাশ উপযোগী নয় শব্দ) গালাইছ কেন। ওসব খুলে ফেল।

এই বলে গাড়ীর লাইটটা প্লাস দিয়ে কেটে নেয়। পরে হর্ন কাটার জন্য প্লাস বের করে একটি হর্ন কাটতে যায়। আমি তখন বাঁধা দেই। সে বলে দুটি হর্ন রাখা যাবে না। আমি বলি ৮০ সিসি চায়না গাড়ীতে কোম্পানী ২টি হর্ন লাগিয়ে দিয়েছে। এটা আপনি কাটবেন কেন ? সে বাঁধা না মানলে, আমি বলি ঘটনাটি আমি এসপিকে বলব। সে তার পরিহিত পান্টের চেইন খুলে দিয়ে আমাকে বলে আমার …(প্রকাশ উপযোগী নয় এমন শব্দ) ছিড়ে নিস। এ সময় সেখানে শতাধিক পথচারী উপস্থিত ছিল। আশেপাশের দোকানদারও আমার সঙ্গে কি ব্যবহার হয়েছে, তা দেখেছে। ঘটনাটি শুধু আমার সঙ্গে ঘটেনি। আমার আগে অপর এক মুক্তিযোদ্ধা আফসার গাজীকেও একইভাবে অপমান করা হয়েছে বলে ওই সময় জেনেছি। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা আফসার গাজীর গাড়ীর সামনে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত স্টিকার ছিড়ে ফেলে দিতে উদ্যত হয় ওই পুলিশ কনস্টেবল সোহাগ। তিনি বক্তব্যের এক পর্যয়ে অশ্রুসিক্ত কন্ঠে বিষের বোতল এক হাতে নিয়ে বলেন, এহেন অপমান জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানের জন্যে অতীব দু:খজনক এবং আত্মহত্যার শামিল। ওই পুলিশ কনস্টেবল কোন পরিবার থেকে এসেছে, কার ইন্ধনে এ সব কথা বলেছে, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য এবং ন্যায় বিচার পাবার জন্য প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সঠিক বিচার যদি না পাই তাহলে আমি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হবো। এ ঘটনায় তিনিসহ মুক্তিযোদ্ধা আফছার গাজী বিষয়টি লিখিতভাবে ওই দিন সন্ধ্যায় লিখিতভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মৌখিকভাবে থানা অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আফছার আলী গাজী, আব্দুর করিম, কার্ত্তিক চন্দ্র মন্ডল, মাষ্টার আকবর আলীসহ প্রায় ডজনাধিক মুক্তিযোদ্ধা।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আশাশুনির পল্লীতে আবারও প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ২৮ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ১০:১৭ অপরাহ্ন

মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান ও লাঞ্ছিত সংবাদ সম্মেলনে আত্মহত্যার ঘোষণা

প্রকাশিতঃ ২৩ নভেম্বর ২০২০, সোমবার, ১১:১২ অপরাহ্ন

আশাশুনিতে মোবাইল কোর্টে ৮জনকে জরিমানা

প্রকাশিতঃ ১০ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন

আশাশুনিতে ফেনসিডিল ও ইয়বা উদ্ধার ১ নারী আটক

প্রকাশিতঃ ১৩ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ১১:০৯ অপরাহ্ন

আশাশুনিতে প্রতিপক্ষের মারপিটে ৪ মাসের অন্ত:সত্বা গৃহবধুর সন্তান প্রসব

প্রকাশিতঃ ১৮ অগাস্ট ২০২০, মঙ্গলবার, ২:২৮ পূর্বাহ্ন

আশাশুনিতে ভারতীয় রুপিসহ ছিনতাইকৃত ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার

প্রকাশিতঃ ১৮ অগাস্ট ২০২০, মঙ্গলবার, ২:২৫ পূর্বাহ্ন