শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা বঙ্গবন্ধুর ছোট্ট হাচুমণিই মানবতার বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা বঙ্গবন্ধুর ছোট্ট হাচুমণিই মানবতার বিশ্বনেত্রী – দখিন দর্পণ
Image
Sorry, no posts Have .......

মঙ্গলবার  •  ১১ কার্তিক ১৪২৮ • ২৬ অক্টোবর ২০২১

শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা বঙ্গবন্ধুর ছোট্ট হাচুমণিই মানবতার বিশ্বনেত্রী

প্রকাশিতঃ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১১:০২ অপরাহ্ন । পঠিত হয়েছে ২০৫ বার।

শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা বঙ্গবন্ধুর ছোট্ট হাচুমণিই মানবতার বিশ্বনেত্রী

গতকাল ছিল ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী দেশরত্ন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কারিগর শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন। করোনা কারণে সীমিত পরিসরে নানা আয়োজনে পালন করা হয়েছে। গতকাল নিজের জন্মদিনে সহকর্মীদের সঙ্গে মন্ত্রিসভার বৈঠক ছিল সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার। তবে সরকারের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী এই ফোরামে জন্মদিনের কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছিল না তারই নির্দেশনায়। সোমবার মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সচিবালয় প্রান্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা অংশ নিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭৩ পেরিয়ে ৭৪ বছরে পা দিয়েছেন সোমবার। ক্ষমতাসীন দলের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপনে নানা কর্মসূচি পালন করছে তার দল আওয়ামী লীগ। তবে করোনাভাইরাস মহামারিকালে সরকারপ্রধানের জন্মদিনে আনুষ্ঠানিকতা নেই সরকারের মধ্যে। 
মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন নিয়ে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের কাছে জানতে চান সাংবাদিকেরা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যে কোনো রকম কোনো আনুষ্ঠানিকতা না। যারা মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উনার জন্য দোয়া কামনা করেছেন, উনার সফলতা কামনা করেছেন। বাংলাদেশের এই মাদার অব হিউমিনিটির জন্মদিন উপলক্ষ্যে তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। আগামী দিনগুলো হোক তার সুন্দর, স্বাচ্ছন্দ্যময়, সুখময়, আনন্দভরা ও স্বপ্ন পূরণের। তিনি ১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন কলকাতায় ভারত ভাগের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দাঙ্গা প্রতিরোধ এবং লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত তখনি জন্ম নেন শেখ হাসিনা। বাবার অনুপস্থিতিতে দাদা ও দাদীর স্নেহ-আশীর্বাদ নিয়ে শুরু হয় শেখ হাসিনার জীবন। দাদা তার নাম রাখেন হাসিনা। বাবা শেখ মুজিব তখনও মেয়েকে দেখেননি। মমতাময়ী মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার স্নেহেই বেড়ে ওঠছেন তিনি। প্রথম সন্তান মেয়ের জন্মের খবর পেয়ে হঠাৎ একদিন বাড়ি আসেন বাবা শেখ মুজিব। বাড়ি এসে মেয়েকে কোলে তুলে নিয়ে ‘হাচুমণি’ ডেকে আনন্দ প্রকাশ করেন; ছোট্ট পরীর কপালে এঁকে দেন স্নেহের চুম্বন। সুযোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা। বঙ্গবন্ধুর আদরের সেই ছোট্ট ‘হাচুমণি’ই বড় হয়ে বাংলাদেশের জনমানুষের প্রিয় নেত্রী হয়ে ওঠলেন। এখন তিনি বিশ্বেও প্রভাবশালী নারী শাসকদের মধ্যে অন্যতম একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক। আর সেটা নিজের প্রজ্ঞা, বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত ও চিন্তা-চেতনায় ধীরে ধীরে বিশ্বনেত্রীর মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন শেখ হাসিনা। 
আবহমান বাঙলার আর দশটি গ্রামের মতোই সুন্দর ছিল টুঙ্গীপাড়ার গ্রাম। গ্রামের নদী-নালা-খাল-বিলের স্রোতের শব্দ এবং সবুজ প্রকৃতির গন্ধ মেখে কেটেছে শেখ হাসিনার শৈশবের দিনগুলো। সেখানেই শুরু হয় তার প্রথম পাঠের। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে শেখ হাসিনা ছিলেন জ্যেষ্ঠ সন্তান। তার কনিষ্ঠ ভাই-বোন হলেন- শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেল। শেখ হাসিনা গ্রামবাংলার ধূলোমাটি আর সাধারণ মানুষের সঙ্গেই বেড়ে উঠেছেন। গ্রামের সঙ্গে তাই তাঁর নিবিড় সম্পর্ক। 
শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয় টুঙ্গীপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি তাঁর পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসনে। পুরানো ঢাকার মোগলটুলির রজনী বোস লেনে বসবাস শুরু করেন। পরে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য নির্বাচিত হলে আবাস স্থানান্তরিত হয় ৩ নম্বর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে। ১৯৫৬ সালে শেখ হাসিনা ভর্তি হন টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে। ধানমণ্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে বসবাস শরু করেন ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর। এ সময় শেখ হাসিনা ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন ঢাকার বকশী বাজারের পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভানেত্রী (ভিপি) পদে নির্বাচিত হন। একই বছর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই ঝড়ো দিনগুলিতেই, কারাবন্দি পিতার আগ্রহে ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের কিছুদিন পর শুরু হয় বাঙালি জাতির ১১-দফা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান। শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ নেত্রী হিসেবে তাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। 
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কাল রাতে বঙ্গবন্ধুকে যখন পাকহানাদার বাহিনী গ্রেফতার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যায় তখন বঙ্গবন্ধুর গোটা পরিবারকে ঢাকায় ভিন্ন একটি বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গৃহবন্দি থাকা অবস্থায় ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই গৃহবন্দি থাকাবস্থায় শেখ হাসিনার প্রথম সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তিনি মুক্ত হন। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর তার কন্যা সন্তান সায়মা ওয়াজেদ পুতুল জন্ম লাভ করেন। ১৯৭৩ সালে শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। 
১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকের নির্মম বুলেটে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। এসময় বিদেশে থাকায় পরম করুণাময় আল্লাহর অশেষ রহমতে প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। এরপর দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সামরিক জান্তা, স্বৈরশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে চলে একটানা অকুতোভয় সংগ্রাম। জেল-জুলম, অত্যাচার কোনোকিছুই তাঁকে টলাতে পারেনি এক বিন্দু। 
১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ইডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল অধিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ডাক আসে দেশ-মাতৃকার হাল ধরার। সামরিক শাসকদের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তাঁর সরকারের আমলেই ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয় ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি। সম্পাদিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি। বাংলাদেশ অর্জন করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা। জাতীয় প্রবৃদ্ধি ৬.৪ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতি নেমে আসে ১.৫৯ শতাংশে। দারিদ্র্য হ্রাস পায়। খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ক্রীড়াসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনার প্রথমবারের (১৯৯৬-২০০১) শাসনকাল চিহ্নিত হয় ’৭৫ পরবর্তী সময়ের স্বর্ণযুগ হিসেবে। 
২০০১ সালের ষড়যন্ত্র ও কারচুপির নির্বাচনের পর বিএনপি-জামাত অশুভ জোট ক্ষমতা গ্রহণ করে। এ সময় দমন-নিপীড়নের মাধ্যমে জোট সরকার সারাদেশে কায়েম করে ত্রাসের রাজত্ব। হত্যা করা হয় ২১ হাজার দলীয় নেতা-কর্মীকে। ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট তদানীন্তন বিএনপি-জামাত জোটের সরকারি মদদে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে চালানো হয় পরিকল্পিত নারকীয় গ্রেনেড হামলা; যার প্রধান লক্ষ্য ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। গুরুতরভাবে আহত হলেও আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তবে এই হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতা-কর্মী নিহত হন। চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন অসংখ্য নেতা-কর্মী। আর এই সংগ্রামে শেখ হাসিনাকে কমপক্ষে ১৯ বার হত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে। এরমধ্যে সর্বশেষটি ছিলো ২০০৪ এর ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা। সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমায় ওইদিন প্রাণে রক্ষা পান তিনি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার শ্রবণশক্তি। 
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এই পর্যন্ত চার মেয়াদে ক্ষমতাসীন হয়েছে। ১৯৯৬ সালে তার নেতৃত্বে ২১ বছর পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলটি। এরপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে চার-তৃতীয়াংশ আসনে বিশাল বিজয় অর্জনের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠিত হয়। দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরপর দ্বিতীয় মেয়াদের মহাজোট সরকার গঠিত হয়। সর্বশেষ গত বছরের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় অর্জনের পর ৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয় মেয়াদে শপথ নেয় তার নেতৃত্বাধীন সরকার। এছাড়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৯১ সালের পঞ্চম এবং ২০০১ সালের অষ্টম সংসদে অর্থাৎ মোট তিনদফা বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। 
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চুড়ান্ত নিষ্পত্তি, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন করা, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি ও সমুদ্রবক্ষে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৯০৯ ডলারে উন্নীত, প্রবৃদ্ধি ৮.১ শতাংশ, দারিদ্র্যের হার হ্রাস, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২২ হাজার মেটাওয়াট ছাড়িয়ে যাওয়া, ৯৪ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ-সুবিধার আওতায় আনা, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, স্বাক্ষরতার হার ৭৩.৯ শতাংশে উন্নীত করা, বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ফোর-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চালুসহ অসংখ্য ক্ষেত্রে কালউত্তীর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। মিয়ানমার থেকে বাস্তচ্যুত ১১লক্ষাধিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীর প্রিয় নেত্রী হিসেতে সম্মানের আসনে স্থান করে নিয়েছেন। মাদার অফ হিউমিটি খেতাব পেয়েছেন। লোড শেডিংয়ের দুর্ভোগ ও যন্ত্রনা থেকে এজাতিকে মুক্তি দিয়েছেন। এখন শতভাগ বিদুতায়নের জন্যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। গ্রাম ও শহরের মধ্যে ব্যবধান কমাতে ঘোষণা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার এসব স্বপ্ন বাস্তবায়িত হোক সেটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা এই জননেত্রীর আরো সফলতা ও উন্নত জীবন কামনা করি। মেধা ও মননে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার তৌফিক দান করুন আল্লাহ সেই কামনাই আমাদের রইলো। 
এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামমুখর জীবন জননেত্রী শেখ হাসিনার। সাফল্য গাঁথা এই কর্মময় জীবন কুসমাস্তীর্ণ ছিল না, ছিল কণ্টকাপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস তিনি গৃহবন্দি থেকেছেন। সামরিক স্বৈরশাসনামলেও বেশ কয়েকবার তাকে কারানির্যাতন ভোগ ও গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে। বার বার তাঁর জীবনের ওপর মৃত্যু ঝুঁকি এসেছে। অন্তত ২০ বার তাঁকে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি অসীম সাহসে তাঁর লক্ষ্য অর্জনে থেকেছেন অবিচল। শুভ জন্মদিনে আমরা এই জননেত্রীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও আনন্দময় জীবন কামনা করি। তিনি তার পিতা বঙ্গবন্ধুর মতো এদেশ ও এদেশের মানুষকে যেভাবে ভালবেসে জীবনের ঝটুকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, এদেশের মানুষকে যেসব স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তার আশু বাস্তবায়ন কামনা করছি। তার স্বপ্নের উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হোক, এদেশের মানুষের ভাগ্য বদল হোক, প্রতিটি মানুষের মুখে ফুটে উঠুক সুখের হাসি। 
লেখক :মোস্তাফিজ বুলবুল, সিনিয়র সাংবাদিক

এ জাতীয় আরো সংবাদ

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, ৩ জেলে আটক

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, ৩ জেলে আটক

প্রকাশিতঃ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার, ১১:৪১ অপরাহ্ন
পহেলা বৈশাখে  হবে ভার্চুয়ালি উদযাপন

পহেলা বৈশাখে হবে ভার্চুয়ালি উদযাপন

প্রকাশিতঃ ৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
অবশেষে পদত্যাগের ঘোষণা আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

অবশেষে পদত্যাগের ঘোষণা আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিতঃ ২৮ মার্চ ২০২১, রবিবার, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও আগামী ২২ মে পর্যন্ত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও আগামী ২২ মে পর্যন্ত

প্রকাশিতঃ ২৮ মার্চ ২০২১, রবিবার, ১১:৪১ অপরাহ্ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত, আহত শতাধিক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত, আহত শতাধিক

প্রকাশিতঃ ২৮ মার্চ ২০২১, রবিবার, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নিরাপত্তার চাঁদর ঢাকা হয়েছে গোটা সাতক্ষীরা, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নিরাপত্তার চাঁদর ঢাকা হয়েছে গোটা...

প্রকাশিতঃ ২৬ মার্চ ২০২১, শুক্রবার, ৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
বিকৃত ঘটনায় তোলপাড়, নারীদের খাঁচায় আটকে মেটানো হত লালসা!

বিকৃত ঘটনায় তোলপাড়, নারীদের খাঁচায় আটকে মেটানো হত লালসা!

প্রকাশিতঃ ১৯ মার্চ ২০২১, শুক্রবার, ১০:০৬ অপরাহ্ন