দখিনা দর্পণ ঐতিহাসিক মিশনে বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেলিস্কোপের মহাকাশযাত্রা – দখিনা দর্পণ
Image

বুধবার || ১৮ মাঘ ১৪২৯ || ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ || ৯ রজব ১৪৪৪

Add 1

ঐতিহাসিক মিশনে বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেলিস্কোপের মহাকাশযাত্রা

প্রকাশিতঃ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১, শনি, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ । পঠিত হয়েছে ৩৬৩ বার।

ঐতিহাসিক মিশনে বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেলিস্কোপের মহাকাশযাত্রা

এই মহাবিশ্বে আলো বিকিরণকারী যেকোনো নিকটবর্তী নক্ষত্র ও ছায়াপথের ছবি ধারণ করার লক্ষ্য নিয়ে মহাকাশযাত্রার মাধ্যমে ইতিহাস গড়ল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। বিশ্বের এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় মহাকাশ বিষয়ক টেলিস্কোপ এটি। দক্ষিণ আমেরিকার ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান আরিয়ান রকেটে চেপে মহাকাশে যাত্রা করেছে এ টেলিস্কোপ।
শনিবার বিবিসির খবরে বলা হয়, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ তৈরিতে খরচ পড়েছে কমপক্ষে ১০০০ কোটি ডলার। ৩০ বছর ধরে এর নকশা করা হয়েছে। এই টেলিস্কোপ একবিংশ শতাব্দীতে সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার মধ্যে অন্যতম। দূরে অবস্থিত গ্রহগুলোর বায়ুমণ্ডল, আবহাওয়া সম্পর্কেও অনুসন্ধানের সক্ষমতা আছে এ টেলিস্কোপের।

চাঁদে অবতরণকারী অ্যাপোলো নভোযানের একজন স্থপতির নামে নামকরণ করা হয়েছে টেলিস্কাপটির। এটি হাবল টেলিস্কোপের উত্তরসূরী।
এ টেলিস্কোপ তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও কানাডার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রকৌশলীরা। এটি আগের যেকোনো টেলিস্কোপের চেয়ে শতগুন শক্তিশালী হবে।

এ টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অপেক্ষা করছিলেন বিজ্ঞানীরা। এ নিয়ে উদ্বেগও ছিল। মার্কিন মহাকাশ সংস্থার প্রধান নিল নেলসন বলেন, ‘ওয়েব অসাধারণ একটি মিশন। আমরা যখন বড় স্বপ্ন দেখি তখন কী অর্জন করতে পারি তার এটি একটি উজ্জ্বল উদাহরণ এটি। আমরা সব সময় জানতাম যে, প্রকল্পটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রচেষ্টা হবে। কিন্তু, অবশ্যই, যখন আপনি একটি বড় পুরস্কার চান, আপনাকে একটি বড় ঝুঁকি নিতে হবে।’

টেলিস্কোপটিতে রয়েছে সাড়ে ছয় মিটার প্রশস্ত সোনালী আয়না। এটি হাবল টেলিস্কোপের চেয়ে তিনগুন প্রশস্ত। এ ছাড়াও বর্ধিত অপটিক্স চারটি অতি-সংবেদনশীল যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে, যা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মহাকাশের গভীরে দেখতে সক্ষম করে তুলবে।

টেলিস্কোপটির মূল লক্ষ্যগুলোর একটি হচ্ছে সাড়ে ১৩ বিলয়ন বছর আগের অর্থাৎ, বিগ ব্যাংয়ের পরপরই সৃষ্ট আদি নক্ষত্রের তথ্য অনুসন্ধান করা। এ বস্তুগুলোর মধ্যে পারমাণবিক বিক্রিয়া থেকেই জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রথম ভারী পরমাণুগুলো সৃষ্টি হয়। যেমন কার্বন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, ফসফরাস ও সালফার সৃষ্টির জন্য এগুলো দায়ী।

এর বাইরে এ টেলিস্কোপ দিয়ে দূরবর্তী নক্ষত্রের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা যাবে। কোনো গ্রহ বাসযোগ্য কি না তা বুঝতে সাহায্য করবে এ টেলিস্কোপ।

মিশনের সঙ্গে যুক্ত জ্যোতির্বিজ্ঞানী হেইডি হ্যামেল বলেছেন, ‘আমরা জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। একটি নতুন সীমান্ত। এটাই জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সম্পর্কে আমাদের রোমাঞ্চ তৈরি করেছে।’

এ জাতীয় আরো সংবাদ

মোবাইল ফোনে বিজয় কী-বোর্ড ব্যবহারে নির্দেশনার পেছনে যে যুক্তি...

প্রকাশিতঃ ১৭ জানুয়ারি ২০২৩, মঙ্গল, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ

নিকোলা টেসলা: যার উদ্ভাবন ছাড়া আমাদের জীবন আজকের মতো...

প্রকাশিতঃ ৭ জানুয়ারি ২০২৩, শনি, ৯:৫০ অপরাহ্ণ

নতুন ‘ফিউশন’ প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বড় আবিষ্কার

প্রকাশিতঃ ১৬ ডিসেম্বর ২০২২, শুক্র, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ

অস্ট্রেলিয়ায় আবিষ্কৃত হলো ১০ কোটি বছর পুরনো প্রাণীর জীবাশ্ম

প্রকাশিতঃ ১২ ডিসেম্বর ২০২২, সোম, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

ফেসবুককে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে পরামর্শ দিলেন জাকারবার্গ

প্রকাশিতঃ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, মঙ্গল, ১১:০৪ অপরাহ্ণ

গোপন চ্যাট সংরক্ষণ করা যাবে মেসেঞ্জারে

প্রকাশিতঃ ১২ আগস্ট ২০২২, শুক্র, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট: প্রথমটি অলাভজনক রেখে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের প্রয়োজন কী?

প্রকাশিতঃ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, শুক্র, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ