দখিনা দর্পণ দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার লক্ষে কাজ করেছি: প্রধানমন্ত্রী – দখিনা দর্পণ
Image

মঙ্গলবার  •  ৫ বৈশাখ ১৪২৮ • ১৮ জানুয়ারী ২০২২

Add 1

দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার লক্ষে কাজ করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ২০ ডিসেম্বর ২০২১, সোমবার, ১০:১৫ অপরাহ্ন । পঠিত হয়েছে ৬২ বার।

দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার লক্ষে কাজ করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন- পিআইডিদারিদ্র্য ও মঙ্গা বলে বাংলাদেশে কিছু থাকবে না। দেশের প্রতিটি মানুষ সুন্দর ভাবে বাঁচবে এবং উন্নত জীবন পাবে সেটাই আমার লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ‘বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমার জন্য কোনো কিছু করা হোক সেটা আমার কাছে কাম্য না। কারণ আমি জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছি।

তিনি আরো বলেন, আমি আমার বাবা, মা, ভাই, বোন সব হারিয়েছি। কিন্তু আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যত কষ্ট, যত আঘাত, যত বাধাই আসুক যে স্বপ্ন নিয়ে আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন তার সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই হবে। বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা দারিদ্র্য মুক্ত। দারিদ্র্য বলে, মঙ্গা বলে বাংলাদেশে কিছু থাকবে না। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ সুন্দরভাবে বাঁচবে এবং উন্নত জীবন পাবে সেটাই আমার লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য স্থির রেখেই আমার পথ চলা।

তিনি আরো বলেন, আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশ, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ একদিন উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

এ বছর ‘বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ পেয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব মোহাম্মাদ খুরশেদ আলম।

তাদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে ২ জন কূটনীতিক আজকের পদক বিজয়ী তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসাধারণ কূটনৈতিক নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন।

সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক মান্যবর রাষ্ট্রদূত সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের সময় আমাদের ২ দেশ এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরো নিবিড় করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মোহাম্মাদ খুরশেদ আলম সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে যে মেরিটাইম বাউন্ডারি নিয়ে আইন করে যান এবং মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করে এ সীমার ব্যাপারে কিছু সিদ্ধান্ত দিয়ে যান। আমাদের দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর যে সরকারগুলো এসেছিল, যেমন জেনারেল জিয়া, জেনারেল এরশাদ বা খালেদা জিয়া, তারা এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তখনই আমরা এই সমুদ্রসীমা কীভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি তার ব্যবস্থা নেই।

তিনি আরো বলেন, এই উদ্যোগে আমাদের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মোহাম্মাদ খুরশেদ আলম যথেষ্ট ভূমিকা রাখেন। এর জন্য অনেক কাজ করতে হয়েছে। তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

দুই মাদ্রাসা ছাত্রকে ফেরত দিল বিএসএফ

প্রকাশিতঃ ১৭ জানুয়ারী ২০২২, সোমবার, ১২:০০ পূর্বাহ্ন

আইভীর হ্যাটট্রিক

প্রকাশিতঃ ১৬ জানুয়ারী ২০২২, রবিবার, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

কেক কেটে স্বদেশ প্রতিদিনের ৯ম বর্ষ উদযাপন

প্রকাশিতঃ ১২ জানুয়ারী ২০২২, বুধবার, ১০:৩১ অপরাহ্ন

ওয়ান ইলেভেনে কূটনীতিকরা যে ভূমিকা রাখেন

প্রকাশিতঃ ১২ জানুয়ারী ২০২২, বুধবার, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন

২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি: পর্দার আড়ালে কী ঘটেছিল?

প্রকাশিতঃ ১২ জানুয়ারী ২০২২, বুধবার, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন

অমিক্রন: ১৩ই জানুয়রি থেকে উন্মুক্ত স্থানে সামাজিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান...

প্রকাশিতঃ ১০ জানুয়ারী ২০২২, সোমবার, ১০:৪২ অপরাহ্ন

সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া

প্রকাশিতঃ ১০ জানুয়ারী ২০২২, সোমবার, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন