দখিনা দর্পণ সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা এখন পানিতে ভাসছে – দখিনা দর্পণ
Image

শনিবার  •  ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ • ২৭ নভেম্বর ২০২১

Add 1

সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা এখন পানিতে ভাসছে

প্রকাশিতঃ ২১ অগাস্ট ২০২০, শুক্রবার, ৮:১৩ অপরাহ্ন । পঠিত হয়েছে ২৬৭ বার।

সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা এখন পানিতে ভাসছে

দর্পণ ডেস্ক: আম্পান দুর্গত আশাশুনির প্রতাপনগর ও শ্রীউলার অর্ধেক মানুষ গত ৩ মাস ঘর ছাড়া। কেউ আশ্রয় কেন্দ্রে, কেউ বেড়িবাঁধে, আবার কেউ জোয়ার সময় উচু স্থানে থেকে ভাটিতে পুরাতন ভিটেতেই বসবাস করছিল। কিন্তু সেটাও আর রইলো না। আমাবশ্যায় খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদের পানি বেড়ে সব এলাকাই ভেসে গেছে। আশাশুনি সদর ইউনিয়নের দয়ারঘাট ও জেলেখালীতে বেড়িবাঁধ রক্ষার প্রাণন্তকর প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে।

শ্যামনগরে গাবুরার লেবুবুনিয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে বেশ কয়েকটি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। হুহু করে পানি প্রবেশ করেছে। কমপক্ষে ৬টি পয়েন্ট ভেঙে পানি ঢুকছে ।

সাতক্ষীরার পৌরএলাকার কমপক্ষে ৬টি ওয়ার্ডের নিম্নাঞ্চল গত কয়েক মাস ধরে জলাবদ্ধ ছিল। গত কয়েকদিনের বর্ষায় বহু মানুষের ঘর ছাড়ার উপক্রম হয়েছে।
আশাশুনি সদর, প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার প্রতিরক্ষা রিং বাঁধ ভেঙ্গে নতুন করে এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। আম্পান ঝড়ের দিনে প্লাবিত হওয়ার ৩ মাস পরে পুুরনো প্লাবিত এলাকা ছাড়িয়ে নতুন এলাকায় পানি ঢুকে শত শত নতুন ঘরবাড়ি ও মৎস্য ঘের পানিতে ডুবে প্লাবিত হচ্ছে। উপজেলার আশাশুনি, শ্রীউলা ও প্রতাপনগর ইউনিয়নের হাজার হাজার ঘরবাড়ি গত ২০ মে আম্পানের তান্ডবে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়। সেই থেকে এলাকার মানুষ পানিতে নাকানি চুপানি খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে। এলাকাবাসী অনেক এলাকা রিং বাঁধ দিয়ে রক্ষা করা হয়েছিল। ভেঙ্গে যাওয়া মূল বাঁধেও ইতোমধ্যে কাজ করা হয়েছে। ফলে ৩ ইউনিয়নের কিছু অংশের মানুষ প্রাথমিক ভাবে রক্ষা পেয়েছিল।
কিন্তু গত কয়েক দিনে নদীর পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া এবং একাধারে বৃষ্টিপাতের ফলে প্রতাপনগর ইউনিয়নের শ্রীপুর, কুড়িকাহনিয়া, হরিশখালি, চাকলা এলাকায় প্রচুর পানি ঢুকে রিং বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় নতুন করে জোয়ারের পানি প্রবেশ করছে। যার ফলে প্রতাপনগর ইউনাইটেড স্কুলের পেছনের কার্লভাটটির পাশের কার্পেটিং সড়ক ভেঙ্গে এলাকায় দুর্বার গতিতে পানি প্রবেশ করছে। হলদেপোতা টু প্রতাপনগর মেইন সড়কের প্রতাপনগর অংশের উপর দিয়ে পানি অপর পাশে প্রবেশ করায় সড়কগুলি দিয়ে যোগাযোগ হুমকিতে পড়েছে। এতে নতুন করে বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করে মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় বসবাস করছে।

এদিকে শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের নেবুবুনিয়া এলাকার উপকূল রক্ষা বাঁধ পাশের খোলপেটুয়া নদীতে বিলীন হয়ে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভাঙন কবলিত অংশের ছয়টি পয়েন্ট দিয়ে পানির প্রবেশ অব্যাহত থাকায় রাতের জোয়ারে নুতন নুতন এলাকা জোয়ারের পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার শংকা জেগেছে। এছাড়া বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নের দাতিনাখালী এলাকায় বেড়িবাঁধ উপচে এলাকায় লবন পানি প্রবেশ করেছে। দুর্গাবাড়ি ও পোড়া কাটলা এবং পদ্মপুকুরের বন্যতলার অবস্থাও বেশ ঝুকিপূর্ণ বলে এলাকাবাসীরা জানিয়েছে।

এদিকে সাতক্ষীরা শহরের পূর্বাংশের মাঠপাড়া এলাকা থেকে বদ্দিপুর পর্যন্ত এবং পশ্চিমাংশের ইটাগাছা হতে রসুলপুর পর্যন্ত নিম্নাঞ্চল গত কয়েক মাস পানিতে নিমজ্জিত ছিল। মৎস্য ঘেরের কারণে এসব এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রায় সকল পথ বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন করে গত কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে এসব এলাকায় পানি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বহু মানুষের গৃহ ছাড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
এদিকে কয়েকদিনের একটানা বর্ষণে জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। রোপা আমন খেত তলিয়ে গেছে। সবজিসহ অন্যান্য ফসলেও ক্ষতি হয়েছে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

ভোলার সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবলীগ নেতা নিহত

প্রকাশিতঃ ২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন

ভাসানচর থেকে পালাতে গিয়ে ২৩ রোহিঙ্গা আটক

প্রকাশিতঃ ২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

খুলনা ব্লাক মেইলের শিকার সাবেক জেল সুপারসহ এক ওসি

প্রকাশিতঃ ২৬ নভেম্বর ২০২১, শুক্রবার, ১১:৫৮ অপরাহ্ন

মেয়র জাহাঙ্গীর সাময়িক বরখাস্ত

প্রকাশিতঃ ২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:০৮ অপরাহ্ন

‘গণতন্ত্র সম্মেলনে’ আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় নেই বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ ২৪ নভেম্বর ২০২১, বুধবার, ১০:১৭ অপরাহ্ন

বর্তমান সরকার ক্ষমতাকে ভোগের বস্তু হিসেবে নেয়নি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ২৪ নভেম্বর ২০২১, বুধবার, ১০:০৬ অপরাহ্ন

ছিনতাই হওয়া চিনি শ্রমিক লীগ নেতার গুদাম থেকে উদ্ধার

প্রকাশিতঃ ২৪ নভেম্বর ২০২১, বুধবার, ৯:৪৪ অপরাহ্ন