ছোট ছোট দুঃখ কথা ছোট ছোট দুঃখ কথা – দখিন দর্পণ
Image
Sorry, no posts Have .......

মঙ্গলবার  •  ১১ কার্তিক ১৪২৮ • ২৬ অক্টোবর ২০২১

ছোট ছোট দুঃখ কথা

প্রকাশিতঃ ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৪ অপরাহ্ন । পঠিত হয়েছে ১৩৭ বার।

ছোট ছোট দুঃখ কথা

১. বাংলাদেশে তিন আর তিরিশ নিয়ে তর্ক হয়। ৭১এর যুদ্ধে পাকিস্তানি আর্মি ৩ লক্ষ বাঙালি মেরেছে নাকি তিরিশ লক্ষ! ধরা যাক তিরিশ লক্ষ নয়, মরেছে তিন লক্ষ, তাতে কি হাহাকার কিছু কম হয়? বাহান্নতে তো হাতেগোনা কয়েকজন মরেছিল, আমরা তো আজও কাঁদি ভাষা শহীদদের জন্য! সংখ্যা বড় নয়, বড় আমাদের লক্ষ্য, আমাদের চেতনা, আমাদের মূল্যবোধ। যে লক্ষ্যে আমরা যুদ্ধে নেমেছিলাম, সেই লক্ষ্যের কিছু কি পূরণ হয়েছে? ধর্মনিরপেক্ষতার মৃত্যু হয়েছে, অমুসলিমরা দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে, ধর্মান্ধতা, মৌলবাদ, অশিক্ষা, কুশিক্ষা, কুসংস্কার, নারী-বিদ্বেষ, দারিদ্র্য আর বৈষম্য গ্রাস করে ফেলেছে দেশকে। আগে তো দেশকে বাঁচাও। আগে তো অন্ধকে আলো দাও। ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে থাকলেই মানুষ অতীত নিয়ে পড়ে থাকে, তিন আর তিরিশের বিতর্কে মেতে ওঠে।

২. লক্ষ করেছি ভারতের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত বাঙালি হিন্দুরা বড়দিন বা ক্রিসমাস পালন করতে খুব পছন্দ করেন। নিজের ধর্মের বাইরে খ্রিস্টানদের ধর্মেই যথেষ্ট আগ্রহ তাঁদের, এমনকি নিজের ধর্মও যাঁরা মানেন না, তাঁরাও ক্রিসমাস এলে শুভেচ্ছা জানানো, গির্জায় যাওয়া, কেক খাওয়া, উপহার দেওয়া ইত্যাদি কাজে বেশ উৎসাহ বোধ করেন। তাঁরা কিন্তু ঈদ, বা বুদ্ধ পূর্ণিমা, বা হানুকা, বা গুরু নানক পালন করেন না এমন ঘটা করে। এর কারণটি কী? ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতায় দীর্ঘকাল সাহেবদের ক্রিসমাস উৎসব দেখেছেন এবং উৎসবে অংশগ্রহণ করেছেন বলে এ একরকম ঐতিহ্যে দাঁড়িয়ে গেছে? নাকি কোনও এককালের প্রভুদের গায়ের রঙ, চেহারা, পোশাক আশাক, ভাষা, ধর্ম, রিচুয়াল সবকিছুকে নিজেদের থেকে বেটার বলে মনে হতো এবং ওই মনে হওয়াটি এখনও মস্তিষ্কে বাসা বেঁধে আছে বলে?৩. লোকে যখন ভারত পাকিস্তান দেখে, আমি মহাবিশ্ব দেখি। লোকে যখন হিন্দু মুসলমান দেখে, আমি মানব প্রজাতি দেখি। বড় কিছু না দেখলে বড় হওয়া যায় না। যত ক্ষুদ্র জিনিস দেখবে, তত ক্ষুদ্র হবে।

যখন মানব প্রজাতিই এই মহাবিশ্বে আদৌ টিকে থাকবে কিনা, থাকলেও ক’দিন টিকে থাকবে- এই প্রশ্নটি সামনে আসছে, তখন হিন্দু ধর্ম টিকবে কিনা, ইসলাম টিকবে কিনা এ নিয়ে বিস্তর মাথা ঘামাচ্ছে লোকেরা। এই পৃথিবীই নড়বড় হয়ে উঠেছে বলে আমরা মহাকাশে গ্রহ খুঁজছি পাড়ি দেওয়ার জন্য, প্রজাতির অস্তিত্ব সামান্য হলেও টিকিয়ে রাখার জন্য- সেখানে কোথায় ধর্ম কোথায় জাত! গ্রেকোরোমান আর মিশরীয় ধর্মের মতো ডাকসাইটে ধর্মগুলো কবেই মরে গেছে। এখনকারগুলোও মরবে। কিছুতে ভর দিয়ে চলার অভ্যেস মানুষের। দু পায়ে ভর দিয়ে হাঁটার অভ্যেস না করলে মানুষের পঙ্গুত্ব দূর হবে না।

৪. আমি নাকি কোরআন সংশোধন করতে চেয়েছি, এই মিথ্যে খবরটি হু হু করে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়েছিল ১৯৯৪ সালে। এ কারণে বাংলাদেশ সরকার আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল, লক্ষ লক্ষ মানুষ পথে নেমে আমার ফাঁসির দাবি করেছিল। কিন্তু চীন দেশের সরকার যে কোরআন সংশোধন করতে চাইছে, নতুন করে লিখতে চাইছে কোরআন, এরপরও দুনিয়ার মুসলমান এক হচ্ছে না কেন? চীন সরকারের মু-ু চাইছে না কেন?

৫. বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী একবার কলকাতায় গিয়েছিলেন। তাঁকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেছেন, কেন বাংলাদেশ সরকার তসলিমাকে দেশে ফিরতে দিচ্ছে না। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘তসলিমা দেশে ফিরতে চাইলে সরকারের কোনও আপত্তি নেই।’ আহ! ডাহা মিথ্যে কথা। দীপু মনি যখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, তিনিও তাই করতেন। তিনিও দেশে দেশে বলে বেড়াতেন, ‘তসলিমা চাইলেই দেশে ফিরতে পারে, সরকার তো বাধা দিচ্ছে না।’ এই মিথ্যেগুলো বলার এঁদের দরকার কী, আমি বুঝি না। বুক ফুলিয়ে বললেই তো হয়, ‘আমরা চাই না তসলিমা দেশে ফিরুক, তাই ওকে ফিরতে দিচ্ছি না, ওর বাংলাদেশ পাসপোর্ট রিনিউ করছি না, ওর বিদেশি পাসপোর্টে ভিসা দিচ্ছি না। এসব করছি যেন বাংলাদেশগামী কোনও বাহনে ও চড়তে না পারে। এমনকি ওর পাওয়ার অব এটর্নিতেও সই করছি না, যেন ভোগে। ও ভুগলে আমাদের আনন্দ হয়।’

সত্য বললে সরকারের অসুবিধেটা কী! কেউ মারবে? মিথ্যে বলতে লোকগুলোর লজ্জা হয় না। অথচ ওদের লজ্জাহীনতা দেখলে আমারই লজ্জা হয়।

৬. অ্যান্থনি কুইন ওয়ারনার ন্যাশভিলে একা থাকতেন। কম্পিউটার নষ্ট হলে এ বাড়ি ও বাড়ি ডাক পড়তো। তিনি কম্পিউটার সারিয়ে দিয়ে চলে আসতেন। পঞ্চাশ হয়েছিল বয়স। এক প্রতিবেশীর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল এরকম, ‘কী গো, সান্তাক্লজ কি এবার ভালো কিছু উপহার দিচ্ছে তোমাকে?’ উত্তরে অ্যান্থনি বলেছিলেন, ‘এইতো আর কটা দিন, বেশ বিখ্যাত হতে যাচ্ছি। হ্যাঁ বেশ বিখ্যাত’। অ্যান্থনি কুইন এইতো ক’দিন আগে ক্রিসমাসের সকালে আত্মঘাতী বোমায় নিজেকে উড়িয়ে দিয়েছেন, আশেপাশের চল্লিশটি দোকানপাটও উড়িয়ে দিয়েছেন। পুরো ন্যাশভিল উঠে বসেছে সুনসান ভোরবেলায় বিকট বোমার শব্দে। অ্যান্থনি কুইনের নাম যারা জানতো না, তারা জেনেছে। পত্রিকার প্রথম পাতায় কোনওদিন ছবি ছাপা হতো না বেঁচে থাকলে, তাই তিনি এমনভাবে মরেছেন যেন ছবি ছাপা হয়।

বিখ্যাত হওয়ার ইচ্ছে সবার। মার্ক ডেভিড চ্যাপম্যানকে মনে আছে? সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। হাওয়াই থেকে নিউ ইয়র্কে চলে এসেছিলেন বিখ্যাত তারকা জন লেননকে খুন করবেন বলে। করেছিলেন খুন। খুন করে গ্রেফতার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন সেখানে। তাঁরও স্বপ্ন ছিল বিখ্যাত হওয়া।

এঁরা আসলে কেউ বিখ্যাত হননি। হয়েছেন কুখ্যাত।

জীবনে কোনও তরঙ্গ নেই। তাই মেরে বা মরে হলেও তরঙ্গ চায় কিছু মানুষ। এই কিছু মানুষের মস্তিষ্ককে কি অসুস্থ বলবো? নাকি সুস্থ মস্তিষ্কেও এই ইচ্ছের আনাগোনা চলতে পারে! বিখ্যাত হওয়ার ইচ্ছের! সুস্থ মস্তিষ্ক যে সবসময় অন্যের সুখ সুস্থতা চায় তা তো নয়। কেউ যদি বোমা মেরে ধ্বংস করে চারদিক, সে যদি বাদামী হয়, সাধারণত সে জিহাদি। আর যদি সাদা হয় তাহলে তাদের মাথা খারাপ লোক বলে রায় দেওয়া হয়।

মাথা খারাপ লোকেরা কিন্তু খুনি খুব কমই হয়। মাথাভালো লোকেরাই বুঝে শুনে হিসাব করে খুন বেশি করে। ক্রিমিনালদের এক বাক্যে মানসিক রোগী বানিয়ে যদি ফেল, তাহলে কিন্তু মানসিক রোগীদেরও তুমি একবাক্যে ক্রিমিনাল বানিয়ে ফেলছো। এটা কিন্তু ঠিক নয়।

৭. পদ্য লেখকরা আমাকে বলেন, তুমি গদ্যটা ভালো লেখো। গদ্য লেখকরা বলেন, তুমি পদ্যটা ভালো লেখো। এর মানে কেউ তাঁদের টেরিটরিতে আমাকে জায়গা দিতে চান না। আমার যে পদ্য পাঠকেরা ভালোবাসেন, সে পদ্য প্রেমের পদ্য। প্রেম না করলে ভালো প্রেমের কবিতা লেখা যায় না। চরম বিরহে চুরমার না হয়ে গেলে ভালো বিরহের কবিতাও লেখা যায় না।

নন-ফিকশান- গদ্য সারা বছর লেখা যায়। দুনিয়ায় কী হচ্ছে না হচ্ছে চোখ কান খোলা রাখলেই চলে।

ভাবছি নতুন কিছু প্রেমের কবিতা লিখবো। কল্পনার কোনও প্রেমিকের সঙ্গে না হয় প্রেম করবো। কল্পনার প্রেমিক রক্তমাংসের প্রেমিকের চেয়ে ঢের ভালো। একবার কবিতা লেখা হয়ে গেলে কাকে ভেবে লিখেছি সে কবিতা, তা গৌণ হয়ে যায়। চিরকালই, প্রেমিকের চেয়ে প্রেম বড়, মানুষের চেয়ে মানুষের জন্য অনুভব বড়।

৮. আমার বাড়ি থেকে সব চুরি হয়ে যায়। সোনা রুপা, হীরে জহরত, দামি কাপড় চোপড়, দামি জিনিসপত্র- সব। কত রকমের লোক আমার বাড়িতে যাওয়া আসা করে। সবাইকে তো আমি বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করতেই হয়। তাদের ওপর বাড়িঘরের বেড়ালের দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়ে আমাকে এক মাস দুই মাসের জন্য পৃথিবীর পথে বেরোতে হয় প্রায়ই। তারা নিশ্চয়ই এই কান্ড ঘটায়। অথবা অন্য কেউ। দুঃখজনক কিন্তু করার কিছু নেই। কারণ মানুষকে বিশ্বাস না করে আমি পারি না। যাদের আমি কাছে টেনে নিই, তাদের আমি ভেবেই নিই বিশ্বস্ত। সব চুরি হয়ে যায়, এমনকি পুরোনো চায়ের কাপ, ছুরি চামচও থাকে না। আমি অবশ্য চুরি হওয়া বলি না, আমি বলি হারিয়ে যাওয়া। হারিয়ে যাওয়া মেনে নিলে কাউকে চোর হিসেবে সন্দেহ করার চিন্তাটা মাথায় আসে না। কিন্তু একটা জিনিস আমার বাড়ি থেকে কখনও চুরি হয় না, সে বই। আমার বইগুলো দিব্যি রয়ে যায় যেখানে আছে সেখানে। কেউ বই পড়ে না, সে কারণে বই চুরি হয় না। আমি নিঃস্ব হয়ে গেলেও আমি এখন জানি যে আর কিছু না থাকুক আমার বইগুলো আমার কাছেই থেকে যাবে। একদিক থেকে ভালোই, আমার সঙ্গী হবে আমার বই, অবসর সময়ে বইয়ের চেয়ে বড় বন্ধু আর কে আছে!

৯. প্রচ- ঠান্ডা এ অঞ্চলে। বিকেলে-সন্ধ্যেয় প্রায়ই থাই স্যুপ খাচ্ছি। টম খা গাই বা টম ইয়াম গুং। ঘরেই বানাচ্ছি। ঘরে বানানো স্যুপ আর দোকানে বানানো স্যুপে পার্থক্য প্রচুর। ঘরেরটা খাঁটি, বাইরেরটা ভেজাল। কিছু রান্নাও শিখেছি ঘরে থাকার দীর্ঘ এই সময়ে। আগে ভাবতাম রান্না জানি। অথচ শেখার পর মনে হচ্ছে আগে তো কিছুই জানতাম না। কাল রসগোল্লা বানিয়েছিলাম। রসগোল্লা এ নিয়ে চার বার বানালাম। খাঁটি রসগোল্লা দোকানে থাকে না। দোকানে ছানার সঙ্গে ময়দা মেশায়। রসগোল্লা তো আছেই, ঘরেই কেক বিস্কুট বানাতে শিখেছি। শুধু ভাপা পিঠেটাই শত চেষ্টা করে সম্ভব হয়নি। এত রান্না শিখে লাভ হলো এই যে রান্না শিখলাম। কভিডের টিকা নেওয়ার পর হয়তো আবার আলসে হয়ে যাবো, রাঁধুনি রাখবো। তখন সে যা খাওয়াবে, তাই খেতে হবে। তবে শেখার একটা আনন্দ আছে। এখনও নতুন একটি শব্দ শুনলে সেটার পেছনে পড়ে থাকি, শব্দটি শিখে তারপর আমার শান্তি। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কেবল শিখতে চাই। জীবন কী, জগৎ কী, মানুষের মন কী, প্রাণীদের জীবনাচরণ কী, বিশ্ব ব্রহ্মা- কী। কেউ কেউ ভাবতে পারে এত শিখে কী লাভ? শিখে কী লাভ? শেখাটাই লাভ। শিখে লাভজনক কিছু না করলে শিখে লাভ নেই যারা ভাবে, আমি তাদের সঙ্গে একমত নই। কোন ব্রহ্মান্ডে একটা জীবন কাটালাম, তার ইতিহাস ভূগোল, তার বিজ্ঞান, তার দর্শন, তার আদ্যোপান্ত জানার মধ্যে যে আনন্দ, সে আনন্দ আর কোথায় আছে? একটা পিঁপড়ে কোত্থেকে আসে, কোথায় কী করে, কোথায় যায়- আজও আমি সব কাজ ফেলে সেটা দেখি।

১০. ব্রাজিলে একটা ছবি বানানো হয়েছিল, নাম ‘দ্য ফার্স্ট টেম্পটেশান অব ক্রাইস্ট’। যীশুকে নিয়ে হাস্যরসের ছবি। যীশু সমকামী। যীশু বদলোক হলে লোকের আপত্তি ছিল না, আপত্তি সমকামীতে। ধর্মান্ধ ক্রিশ্চানদের মুখ ভার বটে। ছবিটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য নেটফ্লিক্সকে চিঠি পাঠিয়েছে। গত বছর ক্রিসমাসে একই কমেডি গ্রুপ বানিয়েছিল ‘দ্য লাস্ট হ্যাঙ্গোভার’। সেটিতেও যীশুর পাগলামো দেখানো হয়েছিল। ব্লাসফেমি একেই বলে। কিন্তু কথা হলো, এসব ছবিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্রিশ্চানদের দেশ পুরস্কৃতও করছে, ভালো রিভিউও ছাপাচ্ছে।

আজকাল হিন্দুও তাদের দেব দেবী ভগবান নিয়ে মশকরা সহ্য করে না।

আমি মন্টি পাইথনের লাইফ অব ব্রায়ান দেখেছি, দ্য লাস্ট টেম্পটেশান অব ক্রাইস্ট দেখেছি, কিন্তু মশকরার চূড়ান্ত ব্রাজিলের এই দুটো ছবি। পর্তুগিজ ভাষার ছবি। সাবটাইটেল পড়ে পড়ে দেখতে হয়। কিন্তু দেখার পর মানুষের বাক স্বাধীনতা আছে বলে আনন্দ হয়। দ্য নেইম অব দ্য রোজের কথা মনে আছে? কীভাবে মধ্যযুগে ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে সামান্য সন্দেহ হতো যাদের, তাদের মেরে ফেলতো ইনকুইজিটররা!

যুগ তো বদলাচ্ছে। যুগকে বদলাতে দিতে হয়। আঁকড়ে রাখতে হয় না।

            লেখক : নির্বাসিত লেখিকা,তসলিমা নাসরিন।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

ছোট ছোট দুঃখ কথা

ছোট ছোট দুঃখ কথা

প্রকাশিতঃ ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

পলাতক হারিছ ও ক্ষমতার দম্ভ

প্রকাশিতঃ ১৩ ডিসেম্বর ২০২০, রবিবার, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

একজন সমেস ডাক্তার

প্রকাশিতঃ ১৯ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন

কাচের দুনিয়াতে ঠুনকো ক্ষমতা

প্রকাশিতঃ ১ নভেম্বর ২০২০, রবিবার, ৯:০৬ অপরাহ্ন

ছোট্ট একটা দাবি

প্রকাশিতঃ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১:০৯ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের লেখা প্রথম বই ‘স্বপ্ন জয়ের ইচ্ছা’

প্রকাশিতঃ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১:০৫ পূর্বাহ্ন

বয়স্ক পাঠকের সাহিত্য

প্রকাশিতঃ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন